উন্নয়ন

পাবর্তীপুর ব্লগসাইটটির উন্নয়ন কাজ চলছে। যদি পাবর্তীপুর এবং পাবর্তীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও গ্রাম সম্পর্কে আপনার নিকট কোন তথ্য থাকে, তা আমাদের জানিয়ে দিন। আমরা এই ব্লগে সেগুলো প্রকাশ করবো। বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামের নাম, স্কুল-কলেজ-মন্দির-মসজিদ-স্থাপত্য শিল্পের ছবি ও বর্ণনা, বিভিন্ন ইউনিয়নে জন্ম নেয়া ব্যক্তিত্ব ও ছবি (যাদের কথা সবাই বলেন), বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বর্ণনা ও ছবি, পাবর্তীপুরের যারা বাইরে চাকুরি করেন, যারা বিদেশে থাকেন, নদ-নদী-বিল-খালের বর্ণনা, অতি দরিদ্র মানুষের জীবন বৃত্তান্ত, নিজের গ্রাম সম্পর্কে ভাবনা, হাট-বাজার এর তথ্য, মেলার তথ্য, অন্যান্য যা কিছু আপনারা অন্যদের জানাতে চান, সেগুলো আমাদের পাঠান। আমরা ব্লগসাইটটিকে পাবর্তীপুরের মানুষের মধ্যে আন্তযোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে পরিচিত করতে চাই।

প্রতিটি ইউনিয়ন হতে একজন বা একাধিক স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ব্লগসাইটটি উন্নয়নে মোবাইলে ছবি তুলে সেগুলো আমাদের বর্ণনাসহ পাঠাতে পারেন। আপনার পাঠানো ছবি এবং পরিচিতি ব্লগসাইটে প্রকাশ করা হবে।    

We are updating the site. If you have any information regarding this site, please leave a comments here. We will communicate you later. People from different villages and corners of Parbatipur Upazilla interested to contribute update information for this site, please feel free to communicate.

We will also encourge the foriegn friends who visited Parbatipur to share their experiences in this blog site.

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সমবায় বাজার স্থাপনের উদ্যোগ

মধ্যস্বস্ত্বভোগীদের দেৌড়ান্ত কমিয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে দেশের প্রতিটি জেলা শহর, উপজেলা সদর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাজারে কমপক্ষে একটি করে সমবায় বাজার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে রাজধানীর প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি সমবায় বাজার খোলা হচ্ছে। এ ব্যাপারে কাজ শুরু করেছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ। জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সমবায় বাজার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ১৬ আগস্ট জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ চিঠি পাঠিয়েছে। সমবায় অধিদপ্তরের মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ ব্যাপারে স্থানীয় সমবায় সমিতিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত করতে বলা হয়েছে।
সমবায় অধিদপ্তরের হিসাবে দেশে এক লাখ ৬৯ হাজার সমবায় সমিতি রয়েছে। এগুলোর মধ্যে প্রায় এক লাখ সমিতি সক্রিয়। প্রতিটি সমিতিকে এ ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আগ্রহীদের মধ্য থেকে বাছাই করা সমিতিগুলো বাজার স্থাপনের অনুমতি পাবে। অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা আছে, এমন সমিতি একাধিক বাজার স্থাপনের অনুমতি পাবে। যেসব সমিতির কৃষিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিজ্ঞতা আছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। জনবহুল এলাকায় একাধিক বাজার স্থাপন করা হবে। এ বছরের অক্টোবরের মধ্যে বাজারগুলো চালু করার পরিকল্পনা আছে। সমবায় সমিতি বাজার মূলত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের একটি দোকান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। সমবায় সমিতির সদস্যরা সেখানে নিজেদের উৎপাদিত পণ্য ও পাইকারি বাজার থেকে কিনে আনা পণ্য বিক্রি করবেন। সমবায় অধিদপ্তর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দেবে। এ জন্য একটি সেলও খোলা হচ্ছে।
পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব মিহির কান্তি মজুমদার এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, রাজধানীতে সমবায় বাজার খুলে সুফল পাওয়া গেছে। রাজধানীতে এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা ও সারা দেশের সমবায় সমিতিগুলোকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যবসায় যুক্ত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজার স্থাপনের ক্ষেত্রে সমবায় বিভাগ থেকে সহযোগিতা দেওয়া হবে। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের কর্মকর্তারা দাবি করছেন, এই উদ্যোগের ফলে পণ্য উৎপাদনকারী সমবায় সমিতির সঙ্গে বিপণনকারী সমিতির সরাসরি সম্পর্ক গড়ে উঠবে। ফলে কৃষকেরা উৎপাদিত পণ্য সরাসরি দোকানে বিক্রি করতে পারবেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা যাবে।

ইউনিয়ন পরিষদের কর আদায়ের ক্ষমতা ও আওতা বৃদ্ধির উদ্যোগ

ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ক্ষমতাবলে সরকার এ সংক্রান্ত একটি বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে। এই বিধিমালায় ইউনিয়ন পরিষদের কর আদায়ের ক্ষমতা এবং আওতা বৃদ্ধির প্রস্তাবনা সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বিধিমালায় কর আদায়ের বিস্তারিত পদ্ধতি এবং প্রয়োগ সংক্রান্ত ৪৬টি বিধি সংযুক্ত করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিধিমালা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদ তার আওতাভুক্ত এলাকার প্রতিটি পাকা-আধা পাকা বাড়ি, হাট-বাজার, ঘাট ছাড়াও কিন্ডারগার্টেন স্কুল, কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট হাসপাতালসহ অনুরুপ প্রতিষ্ঠান হতে নির্ধারিত হারে বার্ষিক কর আদায় করতে পারবে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমুহের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের লাইসেন্স গ্রহণ ও বাৎসরিক ভিত্তিতে তা নবায়ন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেইসাথে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর পরিশোধে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার ক্ষমতও দেয়া হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদকে।

তথ্যসূত্র: ইউনিয়ন পরিষদের কর আদায়ের ক্ষমতা ও আওতা বৃদ্ধি

কৃষিনীতি ও ভূমি ব্যবহার নীতি

সম্প্রতি সরকার খসড়া  কৃষিনীতি ২০১১ এর প্রকাশ করেছে এবং অনতিবিলম্বে খসড় ভূমি ব্যবহার নীতি প্রকাশ করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খসড়া কৃষিনীতি সংক্রান্ত একটি আলোচনাসভায় আজ উপস্থিত ছিলাম, যেখানে কৃষি সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহাজাহান এমপি ও সদস্য শাহ মো: জিকরুল আহমেদ এমপি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা কেমন হবে, বীজ-সার-সেচ ব্যবস্থা কেমন হবে, কৃষিপণ্য বিপণন (বিক্রয়) ব্যবস্থা কেমন হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো আলোচিত হয়েছে। বলাবাহুল্য, কৃষিনীতি সম্পর্কে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে বেশ কিছু আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে কিছু কৃষকও উপস্থিত থাকবেন আশা করা হচ্ছে। শেষে কৃষিনীতি চূড়ান্ত করার সময় বলা হবে, সারাদেশের মানুষের পরামর্শ নিয়েই কৃষিনীতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।

পাবর্তীপুর কৃষিপ্রধান এলাকা এবং অধিকাংশ নাগরিক কৃষির ওপর নির্ভরশীল। পার্বতীপুরের অর্থনৈতিক ভিত্তি কৃষি। আলোচনাসভায় বার বার মনেহচ্ছিল, পার্বতীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষরাই কৃষিনীতির এসব বিষয় সম্পর্কে একেবারেই জানতে পারবেন না, কিন্তু চূড়ান্ত হয়ে যাবে কৃষি নীতি। ভূমি ব্যবহার নীতি চূড়ান্ত হলে নিজের জমিতে ইচ্ছে মতো বাড়ি-ঘর তুলতে পারবেন না গ্রামের মানুষ। সংসদীয় কমিটির সভাপতি শওকত মোমেন শাহাজাহান জানিয়েছেন, সরকার ভূমি ব্যবহার নীতি চূড়ান্ত করার জন্য ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ে জোনিং কার্যক্রম সমাপ্ত করেছেন, অর্থাৎ ইউনিয়নের কোথায় ঘরবাড়ি হবে, কোথায় বাজার বসবে, কোথায় বিদ্যালয় হবে, কোথায় কৃষি আবাদ হবে, কোথায় কবরস্থান হবে ইত্যাদি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব বিষয় চূড়ান্ত হলে স্থানীয় অধিবাসীরা নিজেদের ইচ্ছেমতো ঘর-বাড়ি তুলতে পারবেন না। দেশের কৃষিজমি রক্ষার জন্য বিষয়টি জরুরি। কিন্তু জোনিং কার্যক্রম চূড়ান্ত করার সময় স্থানীয় অধিবাসীদের মতামত নেয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

পার্বতীপুরের নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ সচেতন মহলের পক্ষ হতে এসব বিষয় বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক এবং কৃষির সাথে জড়িত মানুষকে জানানো প্রয়োজন। সেইসাথে তাদের মতামতও গ্রহণ করা প্রয়োজন। যেকেউ আগ্রহী হয়ে শুরু করতে পারেন এই কার্যক্রম। পার্বতীপুরের কৃষি এবং কৃষকের জীবন ও জীবিকাকে সুনিশ্চিত ও নিরাপদ করতে হলে এসব আলোচনায় সবার অংশ নেয়া জরুরি বিষয়। এ বিষয়ে আগ্রহীদের পার্বতীপুর ব্লগের পক্ষ হতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও উপাত্ত দিয়ে সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং কোন মতামত তৈরী হলে তা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।  

 

একশ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যানরা

১০০ কোটি ব্যয়ে সরকার এবার ১০০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য এই কর্মসূচির জন্য অতিদরিদ্রদের তালিকা সংশোধন করবে সরকার এবং তালিকা সংশোধন ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে ইউপি চেয়ারম্যানরা। এ বিষয়ে সংশোধিত নীতিমালার পরিপত্র জারি করবে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রানবিভাগ। সম্প্রতি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ত্রান বিভাগের একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বর্তমানে একশ দিনের কর্মসূচিতে ইউনিয়ন কমিটির প্রধান করা হয় ইউএনও মনোনীত উপজেলা পরিষদের আওতাধীন একজন সরকারি কর্মকর্তাকে। এখন থেকে সরকারি কর্মকর্তার পরিবর্তে ইউনিয়ন কমিটির প্রধান হবেন ইউপি চেয়ারম্যান এবং ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গঠিত হবে ২০ সদস্যের কমিটি। কমিটিতে ইউপি মেম্বাররা পদাধিকার বলে সদস্য হবেন এবং কমিটিতে শিক্ষক প্রতিনিধি, নারী সমাজকর্মীর প্রতিনিধি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি অর্ন্তভুক্ত হবেন। এসব সদস্যকে মনোনীত করবেন ইউএনও।

দৃষ্টি আর্কষণ: ইউনিয়নের আগ্রহী ব্যক্তিবৃন্দ এই অফিসিয়াল সার্কুলারটি পড়ুন এবং এসবক্ষেত্রে অনিয়ম হলে এখানে কমেন্ট করে আমাদের জানিয়ে দিন। ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আপনাদের তথ্য প্রেরণ করবো। নিজ ইউনিয়নের অতিদরিদ্র মানুষের বেৎচে থাকার উপায়টুকু নিয়ে আমরা কোন অনিয়ম দেখতে চাই না।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যমান উপকারভোগীর তালিকা নিয়ে কমিটিকে প্রতিটি ওর্য়াডে গিয়ে প্রকাশ্য মিটিং করতে হবে। মিটিং এর আগে মাইকিং করে কর্মসূচিতে নাম লেখাতে ইচ্ছুক অতিদরিদ্রদের প্রকাশ্য সভায় উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাতে হবে। প্রকাশ্য মিটিং এর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অতিদরিদ্রদের বাছাই করা হবে। যদি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নে ২০ জনকে এ সুবিধা দেয়ার কার্ড বরাদ্দ থাকে, তবে তার বেশি বাছাই করা যাবে না। বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তুলনামূলক অতিদরিদ্রদের নামের সিরিয়াল আগে রাখতে হবে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান তালিকায় অপেক্ষাকৃত কম দরিদ্র লোক থাকলে তার নাম বাদ পড়বে।  

প্রকাশ্য মিটিং ছাড়া কমিটি ঘরোয়া কোন বৈঠক করে তালিকা চূড়ান্ত করতে পারবে না। ত্রানকমিটির সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, উপকারভোগী শ্রমিকরা নিজের টাকা নিজেই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করবেন। প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত এখন আর থাকবে না। গ্রুপভিত্তিক ডাটাশিট করে ভাউচারের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করা যাবে না। প্রতিদিন একজন শ্রমিককে ৩৫ ঘনফুট মাটি কাটতে হবে। বর্তমানে প্রতিদিন ৪৫ ঘনফুট মাটি কাটার নিয়ম রয়েছে। এখন ৩৫ ঘনফুট মাটি কাটার পরিমাপ মাঠপর্যায়ের অফিসাররা বুঝিয়ে নেবেন। কেউ কম মাটি কাটলে তার টাকাও কেটে নেয়া হবে। এখন প্রতিদিন মাটি কাটার ভাতা হিসাবে শ্রমিকরা ১৫০ টাকার পরিবর্তে ১৭৫ টাকা পাবেন।

তথ্যসূত্র: একশ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পাচ্ছেন ইউপি চেয়ারম্যানরা

Cheenee Mosque

এই মসজিদটি সম্পর্কে যারা জানেন, প্লিজ বিস্তারিত লিখুন কমেন্টে। আপনার সহযোগিতা আমাদের সবাইকে পার্বতীপুরের এই মসজিদটি সম্পর্কে জানতে সহায়তা করবে।

পার্বতীপুরে প্রাচীন আমলের ধ্বংস প্রাপ্ত রানী রাশমনির হাবড়ার কাচারী বাড়ী

বেলাল হক,বাংলাপ্রেস, পার্বতীপুরঃ দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলা শহর থেকে ৮ কিঃ মিঃ দক্ষিনে পার্বতীপুর ফুলবাড়ী রাস্তার পাশে হাবড়ায় প্রাচীন আমলের ধ্বংস প্রাপ্ত বেশ কিছু দালান কোঠা, বৃক্ষরাজী চোখে পড়ে। এসব হাবড়ার প্রাচীন আমলের কীর্তি। সম্ভাবত ১২২১ বঙ্গাব্দে অর্ধ বঙ্গেশ্বরী নামে খ্যাত রানী রাশমনি এখানে বিশাল জমিদারী প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তখন স্থানটি যথেষ্ট চাকচিক্য ও জাঁকজমক ছিল। জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হবার পর রুপ লাবন্য হারিয়ে হাবড়ার আজ মলিন ও শ্রীহীন অবস্থা। বর্তমানে এখানে সপ্তাহে দু‘টি হাট বসে। রাস্তা পাকা হওয়ায় যোগাযোগ সহজ হয়েছে। বর্তমানে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ক্ষুদ্র একটি ইউনিয়ন হলেও ১৮০০ ইংরেজী সালের দিকে হাবড়া থানার প্রশাসনিক হেড কোয়ার্টার ছিল । মন্টোগোমারি মার্টিনের ইস্টার্ন ইন্ডিয়া (প্রকাশকাল,লন্ডন ১৮৩৬ ইং) গ্রন্থের বিবরন, আঞ্চলিক কবি জামাল উদ্দিনের প্রেমরত্ন কাব্য(১২৩০বঙ্গাব্দে প্রকাশিত) সর্বোপরি পুরানো দলিল দস্তাবেজে হাবড়া থানার পরিচয় মেলে। এখানে ৮/১০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে স্তুপ ও প্রাচীন ঘর বাড়ীর ধ্বংসাবশেষ দৃষ্টিগোচর হয়। তবে তা থানা প্রতিষ্টা কালীন সময়ের নয়।তাঁর ইতিহাস অতি প্রাচীন ।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার: ছবি ও তথ্যগুলো প্রবাসীবার্তা.কম হতে নেয়া হয়েছে।

পার্বতীপুরের একজন ব্লোগার এর চোখে দেখুন পার্বতীপুর

ব্লগে খুবই সংক্ষিপ্তভাবে ব্লগার স্পেলবাইনডার লিখেছেন তিনি পার্বতীপুরের অধিবাসী। সামহোয়ারইন এ পার্বতীপুর ছবি ব্লগ এ পার্বতীপুর-ফুলবাড়ি-স্বপ্নপুরী ভ্রমনের ছবি দিয়েছেন অনেকগুলো। ছবিগুলোতে আছে পার্বতীপুর রেলওয়ে স্টেশনের ছবি, রেললাইনের পাশে কালের সাক্ষী পুরাতন গাছের ছবি, পার্বতীপুরের লেখকের নিজ গ্রামের ছবি, পার্বতীপুর হতে ফুলবাড়ি যাওয়ার ছবি, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ও তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের ছবি ও সেইসাথে পাবেন স্বপ্নপুরীর ছবি বোনাস হিসাবে। এখনই ভিজিট করুন ব্লগটি, দেখুন পার্বতীপুরের একজন ব্লগার এর চোখে পাবর্তীপুরকে। আর হ্যা, আপনিও লিখুন, সবাইকে জানান পার্বতীপুর এর কথা।

এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পার্বতীপুরের ১০০ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে

এবার পার্বতীপুর উপজেলার ৫টি কলেজে মোট একশতজন ছাত্রছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ৭০ জন এবং বাণিজ্য বিভাগে ৪ জন মিলে জিপিএ ৫ প্রাপ্তদের ৭৪ জনই পার্বতীপুর ক্যান্ট: পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ছাত্র-ছাত্রী ছিল। পার্বতীপুর ক্যান্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ হতে মোট ২২৯ জনের মধ্যে ২২৮ জন পাশ করেছে। এছাড়া খোলাহাটি ডিগ্রী কলেজ হতে ২৮৫ জন পরীক্ষা দিয়ে পাশ করেছে ২৫৯ জন, এর মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭ জন। অন্যান্য কলেজগুলোর মধ্যে পার্বতীপুর ডিগ্রী কলেজ হতে ৯ জন, পার্বতীপুর আদর্শ কলেজ হতে ৫ জন ও সোনাপুকুর সুরভী কলেজ হতে ৫ জন ছাত্র-ছাত্রী জিপিএ ৫ পেয়েছে।

 এইচএসসিতে পাশকৃত পার্বতীপুর এর ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দকে পার্বতীপুর ব্লগসাইট এর পক্ষ হতে অভিনন্দন।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুরে একশত জন জিপিএ ৫ পেয়েছে

ডিজিটাল পার্বতীপুর

বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছেন, কিন্তু দেখুন পার্বতীপুর উপজেলার তথ্য বাতায়নের পেইজটি: পাবর্তীপুর উপজেলা পরিষদ। কোন তথ্যই আপডেট নেই। সরকারি কর্মকর্তা কিংবা ডিজিটাল বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা এসব ওয়েবপেইজ ভিজিট করেন বলে মনেহয় না। পার্বতীপুরের মানুষ যারা ইন্টারনেট সুবিধার মধ্যে আছেন, তারা এই পেইজটি ভিজিট করেছেন কি? আমার মনেহয়, করেননি। যদি এই পেইজগুলো কেউ ভিজিটই না করে, আবার কেউ যদি ভিজিট করে তথ্যই না পায়, তবে কেন এসব তৈরী করা? প্রশ্নটা স্বাভাবিক। কিন্তু অস্বাভাবিক যে বিষয়টা, সেটা হলো – এসব ওয়েবপেইজ তৈরী করার জন্য, ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার আমাদের ট্যাক্সের অনেক টাকা খরচ করছে? ইউএনডিপি সারা বাংলাদেশের ডিসি ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দকে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এসব প্রশিক্ষণে অনেক অনেক টাকা খরচ করা হচ্ছে। দেশের টাকার এতো অপব্যয় মেনে নেয়া কি উচিত? Read the rest of this entry

পাবর্তীপুর উপজেলার মানচিত্র

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.